ঢাকা রবিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২১ ইং | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্য জাতীয় শ্রমিক লীগের বহিষ্কৃত সদস্য অবৈধভাবে সাধারণ সম্পাদক নাম ধারণ করে পদ বানিজ্যের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০২১, রাত ১১ঃ৩২

জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাজ্য শাখার বহিষ্কৃত সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে নিজেকে সাধারণ সম্পাদক দাবি করে আসছে এবং সেই ক্ষমতাবলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সাথে হাত মিলিয়ে সে খেয়াল খুশি মত মনগড়া কথাবার্তা প্রচার করছেন এবং ড. শামসুল হক চৌধুরী নামের একজনকে কার্যকরী সভাপতি হিসেবে প্রচার করে চলেছেন।

জাতীয় শ্রমিক লীগের গঠনতন্ত্র থেকে জানা যায়, শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় কমিটিতে কার্যকরী সভাপতি পদ আছে; জেলা উপজেলা এবং বৈদেশিক শাখায় এই পদের কোন অস্তিত্বই নেই। কেন্দ্রীয় কমিটির তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশি মত চলে,তার বিরুদ্ধে দলের পদ বানিজ্য করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।দলের মধ্যে সে প্রতিনিয়ত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং নেতা কর্মীদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করছে বলেও জানা গিয়েছে।

যুক্তরাজ্য জাতীয় শ্রমিক লীগের কয়েকজন নেতা এবং কর্মীর সাথে আলাপ করে জানা যায়,কলহ কোন্দল করাই ইকবাল এবং তার সঙ্গী সাথীদের কাজ।প্রবাসে তারা বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে চাঁদা তুলে ঢাকায় গিয়ে বিভিন্ন নেতাদের মাধ্যমে নানাবিধ তদবির  চালাচ্ছেন এবং তাদের অবৈধ্য পদের বৈধতা আনয়নের চেষ্টা করছেন।সংগঠনে এমন লোকদের দিয়ে দলের কোন উপকার বা সুনাম ধরে রাখাও সম্ভব হবে না বলে তারা মনে করেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, এরা হচ্ছে সুবিধাবাদী, সুদিনের কোকিল। শুধুমাত্র ফেসবুকে নিজেদের ছবি প্রচার করে নিজেদেরকে জাহির করতে চান।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন এবং দলের গঠনমূলক কোন বিষয়ে এদের মাথা ব্যথা নাই। এমনকি এদের জাতীয় শ্রমিক লীগের গঠনতন্ত্র সম্পর্কে ও কোন ধারনা নাই।তাই তারা এহেন কর্মকান্ডে নিজেদের জড়িয়েছেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বর্তমানে তাদের সৃষ্টি করা পদের কার্যকরী সভাপতি এবং সহ-সভাপতি ঢাকায় বিভিন্ন নেতার দারে দারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।এদের যদি শ্রমিকলীগের দায়িত্বে আনা হয় তবে শ্রমিক লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে বলে জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাজ্য শাখার সকল সদস্যরাই মনে করেন।